নোটিশ
বাউবি পরিচালিত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত প্রসঙ্গে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা ১৬ জুলাই শুরু আলহাজ্ব আলাউদ্দিন তোতা মিয়া সাহেবের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠিত ২০২২ -২৩ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির আবেদন ফরম বিতরণ চলছে। কলেজ অফিস থেকে সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রদান করা হলো। ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করে জমা দানের শেষ তারিখ আগামী 15/11/2022 2021/2022 শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় অনলাইনে আবেদন চলছে। কলেজ কর্তৃক অনলাইন আবেদন ফ্রি করা হয়। আগামী ১১/১০/২০২১ তারিখ থেকে ২০/১০/২০২১ তারিখ পর্যন্ত শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে কলেজের ক্লাশ বন্ধ থাকবে, সরকারি ছুটি ব্যতীত অন্যান্য দিন কলেজ অফিস খোলা থাকবে।
কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসঃ  

আড়াইহাজার উপজেলা একটি অনুন্নত অঞ্চল হওয়ায় এখানের শিক্ষার তেমন প্রসার ঘটেনি। অবহেলিত জনপদের মানুষকে শিক্ষিত করা না গেলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কেননা, যে জাতি যত বেশী শিক্ষিত সে জাতি তত বেশী উন্নত। শিক্ষিত জাতি একটি দেশের বড় সম্পদ।

কিন্তু দীর্ঘদিন  এদেশের জনসংখ্যার একটি বৃহত্তম অংশ  তার সুপ্ত ক্ষমতার পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করার এবং জাতীয় উন্নয়নে অধিক কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে সময়ের বিবর্তনে সমাজ জীবনে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। তৎসময়ে সমাজ সচেতন ব্যক্তির  উৎসাহ ও নিরলস প্রচেষ্টায় স্থানীয় এলাকাবাসীর আশা আকাংখার প্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে প্রধান উদ্যোক্তা ও দাতা মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আলাউদ্দিন তোতা মিয়া সাহেব এবং প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজা বেগম,  আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, লায়ন কামালে হোসেন পলাশ, মোঃ জাকির হোসেন আড়াইহাজার উপজেলা সদর  হতে ৮ কিমি দূরে উচিৎপুরায়  হাজী বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি  কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিশিষ্ট শিল্পপতি, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোঃ তোতা মিয়া ও তার সুযোগ্য সন্তানরা  এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করে আমাদেরকে করেছেন চির ঋণী।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি এককভাবে কলেজের জন্য  ১টি দ্বিতল ভবন নির্মান এবং ৩ একরের অধিক ভূমি, মসজিদ নির্মাণ করার জন্য ৭ শতাংশ জমি, স্থায়ী ও চলতি তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ, বই, চেয়ার, ব্যাঞ্চ, টেবিল, ফ্যান ও কম্পিউটার প্রদান  করে কলেজের অগ্রগতিকে তরান্বিত করেন।

বিগত বছরে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক এবং সুদক্ষ গভর্নিংবডির সদস্যবৃন্দের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বহুবার শ্রেষ্ট কলেজের মর্যাদা অর্জন করেছে। এ কারণে সুধিজনের আবেদনের প্রেক্ষিতে  এবং উত্তোরোত্তর ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরলস প্রচেষ্টায় ২০০২-২০০৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজটি স্নাতক শ্রেণীতে উন্নীত করা হয় এবং সকল বিষয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। আশা করা যাচ্ছে সকলের সহযোগিতায়  কলেজটি অত্র এলাকার উচ্চ শিক্ষার প্রাণ কেন্দ্রে পরিনত হবে।